আওয়ামী দোসরদের আইনের আওতায় আনলে পুরস্কার, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন

আওয়ামী দোসরদের আইনের আওতায় আনলে পুরস্কার, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আওয়ামী দোসরদের আইনের আওতায় আনলে পুরস্কার, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে যারা ভূমিকা রাখবেন তাদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬-এর ‘পদক প্রদান অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা ফ্যাসিবাদের ও আওয়ামী শক্তির দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারবেন তাদের পুরস্কৃত করা হবে। গত সপ্তাহে এ ধরনের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকালও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এতদিন তারা এখানেই লুকিয়ে ছিলেন। আমাদের ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট কোথায় ছিল? পুলিশের ইন্টেলিজেন্স সাপোর্টকে আমি সবচেয়ে উত্তম মনে করি। অন্যান্য অর্গানাইজেশনের যে ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট সেটাও মিলিয়ে দেখার জন্য তুলনা করি। আপনারা আপনাদের ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট ব্যবহার করুন।

দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী এক মাসে দেশের প্রায় ১ হাজার ৪০০ নাগরিক হত্যার শিকার হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ১৭ বছরের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর বিভিন্ন হিসাবের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা এক মাসে ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করতে পারে, আসমান থেকে গুলি করে দেশের নাগরিকদের হত্যা করতে পারে, যারা বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করে দেশকে গণতন্ত্রহীন রাষ্ট্রে পরিণত করতে পেরেছিল, সেই শক্তিকে বাংলাদেশের মানুষ কখনো আহ্বান জানাবে কি না। এ দেশের মানুষ কখনো চাইতে পারে তারা বাংলাদেশের রাজনীতি করুক কি না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা এক মাসে ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করতে পারে, আকাশ থেকে গুলি চালিয়ে দেশের নাগরিকদের হত্যা করে এবং বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করে দেশকে গণতন্ত্রহীন রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল—সেই শক্তিকে বাংলাদেশের মানুষ কখনো পুনর্বাসিত করবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এ দেশের মানুষ তাদের আর রাজনীতি করতে দেখতে চায় কি না, তা ভেবে দেখার বিষয়।

তিনি আরও বলেন, যারা সেই বর্বর হত্যাকাণ্ডের পরেও কোনোদিন দুঃখ প্রকাশ করেনি, অনুশোচনা করেনি বা ক্ষমা প্রার্থনা করেনি তারা বাংলাদেশের বাইরে থেকে আওয়াজ দিচ্ছে।

শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের ফেরত আনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করেছি প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের ফেরত দিতে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হলে আইন নিজস্ব গতিতে চলবে। তারা যদি স্বেচ্ছায় আসে এবং আইনের মুখোমুখি হয় তাহলে ভালো। আইন নিজস্ব গতিতে ও নিজস্ব প্রক্রিয়া অনুযায়ী চলবে।

অনুষ্ঠানে ৯৮ পুলিশ সদস্যকে পিপিএম ও বিপিএম পদক পরিয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




দেশের হাট-বাজার নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের নতুন নির্দেশনা

দেশের হাট-বাজার নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের নতুন নির্দেশনা
ছবি সংগৃহীত।

৩১ জানুয়ারি, ২০২৭-এর মধ্যে দেশের সব উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের হাট ও বাজারে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেশের সব উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়।

স্থানীয় সরকার বিভাগ জানিয়েছে, প্রতিটি হাট ও বাজারের স্থায়ী শেড এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) বিভিন্ন বাজারে নির্মিত চার-পাঁচতলা ভবনের ছাদের আয়তন বিবেচনায় নিয়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ থেকে নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।


নির্দেশনায় বলা হয়েছে, টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থানীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিদ্যমান দাপ্তরিক মূল ভবন ও আওতাধীন ভবনগুলোতে ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


এসব ব্যবস্থায় ন্যূনতম দুই ঘণ্টার ব্যাটারি ব্যাকআপ রাখতে হবে বলেও চিঠিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং পদ্ধতিতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে হবে জানিয়ে এতে বলা হয়, ‘নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫’ অনুযায়ী জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের বিপরীতে ১০ টাকা ৫০ পয়সা পাওয়া যাবে। এতে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের রাজস্ব আয় বাড়বে।


নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, দেশের সব উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের হাট ও বাজারে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ‘হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা, ২০২৫’ এর বিধি ১০-এর (ঙ) ও (চ) অনুযায়ী হাট ও বাজার থেকে পাওয়া ইজারার আয়ের ১০ শতাংশ সংশ্লিষ্ট হাট ও বাজারের রক্ষণাবেক্ষণ বা উন্নয়নে এবং আরও ১০ শতাংশ উপজেলার অন্তর্গত হাট ও বাজারের রক্ষণাবেক্ষণ বা উন্নয়নে ব্যয়ের জন্য নির্ধারিত রয়েছে।

এই অর্থ ব্যবহার করে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন ও বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করতে বলা হয়েছে।

সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনকারী কোম্পানির সঙ্গে পরবর্তী ২০ বছর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি করতে হবে। একইসঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে আবশ্যিকভাবে স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।




জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের জন্য রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের জন্য রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
ছবি সংগৃহীত।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দূরদর্শী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ) এক অভিনন্দনবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, জনগণের আকাঙ্ক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে দেশের অবস্থান সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এ ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা ও অবস্থানকে আরও সমুন্নত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রা, এবং একই সঙ্গে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের পাশাপাশি একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় উঠে এসেছে। দেশের পুনর্গঠনে ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’—৩-R কৌশলের কথাও তিনি তুলে ধরেছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, বিশ্বশান্তি, বহুপাক্ষিকতা, ফিলিস্তিন, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন। অভিনন্দন বার্তায় রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে সৃষ্ট তীব্র চাপ, জ্বালানি নিরাপত্তা-সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির সঠিক চিত্র ফুটে উঠেছে।

জাতিসংঘকে ‘একটি সমঝোতামূলক বিশ্বসমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু’ হিসেবে দেখার প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সংঘাতময় বিশ্বে সংলাপ, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার এ আহ্বান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ : সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রত্যয়ের উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এ বক্তব্যে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়াকে রাষ্ট্রপতি একটি জাতির জন্য গৌরবময় ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য এবং তার নিরাপদ ও সফল সফর কামনা করেন।




৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, নিয়োগ হবে ৫ হাজার চিকিৎসক

৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, নিয়োগ হবে ৫ হাজার চিকিৎসক
ছবি সংগৃহীত।

৫১তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৬ এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এ পরীক্ষার মাধ্যমে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে চার হাজার ৭০০ জন সহকারী সার্জন এবং ৩০০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নিয়োগের কথা রয়েছে।

আগামী ১ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পিএসসি এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

এতে বলা হয়েছে, নতুন পদ সৃষ্টি, পদ বিলুপ্তি, পদোন্নতি ও অন্যান্য কারণে শূন্য পদের সংখ্যা পরিবর্তন হতে পারে। ২০২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর যাদের বয়স ২১ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে, তারা এ বিশেষ বিসিএসে আবেদন করতে পারবেন।

আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইট অথবা পিএসসির ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। সাধারণ প্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি ২০০ টাকা। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য ফি ৫০ টাকা। এর সঙ্গে টেলিটকের ভ্যাট ও ডেটা ভেরিফিকেশন চার্জ হিসেবে অতিরিক্ত ৫ টাকা দিতে হবে।

আবেদনের শেষ সময় ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা। তবে ওই সময়ের মধ্যে ইউজার আইডি পাওয়া প্রার্থীরা পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফি পরিশোধ করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের পথে থাকা প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। তবে তাদের সব লিখিত পরীক্ষা অবশ্যই ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের মধ্যে শেষ হতে হবে। দেশি বা বিদেশি ডিগ্রির সমমানের সনদ এবং বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র মৌখিক পরীক্ষার সময় জমা দিতে হবে।

সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আবেদন করতে হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এবারের বিশেষ বিসিএসে মোট ৩০০ নম্বরের ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই করা হবে। এর মধ্যে ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা থাকবে। লিখিত পরীক্ষা হবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে।

লিখিত পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ২০ নম্বর করে থাকবে। মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তিতে থাকবে ১০ নম্বর করে। সংশ্লিষ্ট ক্যাডার বা পদের প্রাসঙ্গিক বিষয়ের জন্য থাকবে ১০০ নম্বর। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ৫০ নম্বর কাটা হবে।

পিএসসি জানিয়েছে, আগামী নভেম্বরের মধ্যেই লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরীক্ষা মূলত ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার শৃঙ্খলা ও প্রার্থিতার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। কোনো ধরনের তদবির করলে তা প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য হবে। মিথ্যা তথ্য দেওয়া, সনদ জাল করা কিংবা পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন বা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বন করলে প্রার্থিতা বাতিল করা হতে পারে।

এ ছাড়া এসব অনিয়মের ক্ষেত্রে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া বা ভবিষ্যতের সরকারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে পিএসসি।